
Published on: জুলা ৭, ২০২৪ at ০১:২৪
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ৬ জুলাই: আজ কলকাতায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ট্রাভেল অপারেটর্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বা তোয়া’র উদ্যোগে গ্লোবাল ট্রাভেল মার্ট -পর্যটন উৎসব ২০২৪-এর সূচনা হল। উদ্বোধনে ছিলেন বিহার সরকারের সেচ দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. প্রেম কুমার, ভারত সরকারের পর্যটন দফতরের পূর্ব ভারতের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জ্যোতির্ময় বিশ্বাস, বিশিশট নৃত্যশিল্পী ড. অমিতা দত্ত, অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী, কলকাতায় রাজস্থান সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিংলাজ দন রত্নু সহ বিশিষ্টরা।
উদ্বোধনের পর উপস্থিত অতিথিদের সম্বর্ধিত করা হয়। এরপর অতিথিদের মধ্যে কয়েকজন তাদের বক্তব্য রাখেন। প্রথমে বিহার সরকারের সেচ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড. প্রেম কুমার তার বক্তব্যে ভারতের পর্যটনকে সামনে রেখে পূর্ব ভারতের বিশেষ করে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রগুলির নাম তুলে ধরেন। তিনি বলেন- পর্যটন আমাদের দেশ-বিদেশকে জানতে সহায়তা করে। পর্যটন আমাদের জ্ঞান প্রদান করে। বিশ্বকে কাছে নিয়ে আসতে সহায়তা করে। পররটন আজ রাজস্ব আদায়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।্ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে পর্যটন ক্ষেত্রে যে কাজ হচ্ছে তাতে দেশ-বিদেশে প্রসার ঘটেছে। ভারতে জিডিপি ৬.২৭, যেখানে ভারতে আয়ের ক্ষেত্রে ৮.৭৮ শতাংশ পর্যটন ক্ষেত্র থেকে আসছে। ভারতে প্রতি বছর ৫০ লক্ষ্ বিদেশির আগমন হয়ে থাকে। যেখানে ৫.২৭ কোটি দেশবাসীর আভ্যন্তরীন ভ্রমণ হয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে, সুন্দরবন পর্যটন ক্ষেত্রে এক অতি পরিচিত না, ভারতে পর্যটনের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। পূর্বে হিমালয় থেকে শুরু করে পশ্চিমে মরুভূমি, উত্তরে নদী থেকে দক্ষিণে পারাদ্বীপ এক ভৌগলিক উদাহারণ। বিহারেও পর্যটনের অসীম সম্ভাবনা আছে। এমন অনেক জায়গা আছে যা এখনও মানুষের অজানা। যার মধ্যে আছে জাহানাবাদ, কৌমুর, কান্তা জল্প্রপাত সহ অনেক কিছু আছে। আছে বুদ্ধগয়া যেখানে ভগবান বুদ্ধের জ্ঞান প্রাপ্তি হয়েছিল। ভারতের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বিষয়ে মানুষের আরও বেশি করে জানা উচিত।
“বিহার সরকারের মন্ত্রী যেভাবে পর্যটনের বিষয়ে বললেন তাতে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। বিহারে বুদ্ধ সার্কিট, জৈন সার্কিট, এমন অনেক সার্কিটের উদ্বোধন হয়েছে। আমার ভালো লাগছে যে বিহার সরকারের মন্ত্রী নিজের মুখেই ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের কাজের বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন এবং তিনি আরও বললেন যে বিহার সরকার ভারত সরকারের সংজ্ঞে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছে পর্যটনের বিষয়ে। এই জুলাই মাসে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ বিষয়ে ইন্ডিয়া টিম ভিজিট করছে।“ বলেন কলকাতায় ভারত সরকারের পর্যটন বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জ্যোতির্ময় বিশ্বাস।
সব শেষে বক্তব্য রাখেন কলকাতায় রাজস্থান সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিংলাজ দন রতনু। তিনি বলেন- তোয়ার এই পর্যটন উৎসবে মদন আগরওয়ালের নাম না নিয়ে পারছি না। বাংলার পর্টককে আজ সাগর, পাহাড়, রেগিস্তানেও দেখা যাবে। বাঙালি পর্যটক পর্টনকে এক নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। আমি তোয়ার গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানাই।
অতিথিদের বক্তব্য রাখার পর এদিন গ্লোবাল ট্রাভেল মার্ট-এর একটি ডিরেক্টরির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয়। এর আগে ড. অনিতা দত্তের গ্রুপের শিল্পীরা রবীন্দ্র সঙ্গীত ও অতুল প্রসাদের দুটি গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করেন।
তোয়ার সভাপতি মদন আগরওয়াল এই পর্যটন উৎসবের সাফ্ল্য কামনা করে বলেন- “আমরা এত তাড়াতাড়ি এ ধরনের উৎসব করতে পারছি এটাই বড় বিষয়। কারণ, আমাদের এই সংগঠন কয়েক মাস আগেই পথ চলা শুরু করেছে। এবারের মেলায় ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশের মতো ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এসেছে। আগামীবার এর চেয়েও য়ারও বড় আকারে করার পরিকল্পনা নিচ্ছি।
তোয়ার সম্পাদক কমল গুপ্ত জানান, “এত অল্প সময়ের মধ্যে যেভাবে এত বড় আয়োজন করা হল এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র আমাদের গো্টা টিমের মনোবলের জন্য। আমরা আশা করছি আগামী বছর পর্যটন মেলা এর চেয়েও আরও বড় হবে।“







Published on: জুলা ৭, ২০২৪ at ০১:২৪



