
বিশুদ্ধ ভক্তি এবং আধ্যাত্মিকতার কাহিনি নিয়ে এই মেগাসিরিয়ালটি শুরু হতে চলেছে আগামি ১৬ জুন
Published on: জুন ১৩, ২০২৫ at ০৯:৩৯
Reporter : Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ১৩ জুন : জগজ্জননী মা সারদা, স্বামী বিবেকানন্দের পর এবার আকাশ আট নিয়ে আসছে আরও একট আধ্যাত্মিক কাহিনি “আদি শক্তি আদ্যাপীঠ’ । বিশুদ্ধ ভক্তি আর আধ্যাত্মিকতার এই অসাধারণ কাহিনির মেগাসিরিয়ালটি শুরু হতে চলেছে আগামী ১৬ জুন থেকে। সোম থেকে শনিবার পর্যন্ত সপ্তাহে টানা ছ’দিন ধরে দেখানো হবে আকাশ আট চ্যানেলে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটায়। ১২ জুন এই মেগাসিরিয়ালের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আদ্যাপীঠ থেকেই। সেখানে ব্রহ্মচারী মুরাল ভাইয়ের উপস্থিতিতে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ মেগারিরিয়ালের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করা তিন কুশলীকে হাজির করেছিলেন। মুরাল ভাই আকাশ আটের এই উদ্যগের প্রশংসা করে বলেন- তাদের কর্ণধার অশোক সুরানার ইচ্ছা ছিল আদ্যাপীঠ নিয়ে কাজ করার। আমরাও চেয়েছি আদ্যাপীঠের আরও বেশ করে প্রচার হোক। আজ আকাশ আট সেই ইচ্ছা পূরণ করেছে। এতাই সবচ্যে ভাল খবর। আনন্দের খবর।
“যুগনায়ক স্বামী বিবেকানন্দের সাফল্যের পর আমরা আরেকটি অনন্য টেলিভিশন অনুষ্ঠান নিয়ে আসছি। আদি শক্তি আদ্যাপীঠ এমন একটি অনুষ্ঠান যা দেবতা, আধ্যাত্মিকতা এবং শান্তির সারমর্মকে মূর্ত করে তোলে। এটি আমাদের দলের গবেষণা এবং বিশদভাবে কাজ করার প্রমাণ, যাতে আমরা আদ্য মাতার খাঁটি এবং আকর্ষণীয় তথ্য এবং ঘটনাগুলি দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারি। সমস্ত চরিত্রকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে বেছে নেওয়া হয়েছে যাতে তারা তাদের নিজ নিজ অনস্ক্রিন ভূমিকায় অনুকরণীয় হয়ে থাকে। আমরা আশাবাদী যে মেগা সিরিয়াল আদি শক্তি আদ্যাপীঠ সকল বয়সের দর্শকদের কাছে প্রিয় হবে।” আকাশ আঠের পরিচালক প্রিয়াঙ্কা বরদিয়া বলেন।
“এই গল্পটা কেন করছি? এই প্রশ্ন উঠতেই পারে। এই গল্পটা কেন কারছি, তার কারণ আমার বাবা অশোক সুরানা এখানে আদ্যাপীঠে প্রায়ই আসতেন। মুরাল ভাইয়ের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তার খুবই ইচ্ছা ছিল যে আমরা আদ্যামাকে নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করি। সেই ওনার ইচ্ছা অনুযায়ী আমরা এই কাজ করেছি। আস্যা শক্তি আদ্যাপীঠ এই সিরিয়াল করেছি। “ যোগ করেন প্রিয়াঙ্কা।

আদি শক্তি আদ্যাপীঠের গল্পটি দেবী আদ্যার ইতিহাস এবং কলকাতা শহরের বিখ্যাত আদ্যপীঠ মন্দির প্রতিষ্ঠার যাত্রা সম্পর্কে বর্ণনা করবে। গল্পটি ১৯১১ সালের, যখন একজন খুব তরুণ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি, অনিন্দ্য চরণ ভট্টাচার্য চিকিৎসা অধ্যয়নের জন্য কলকাতায় আসেন। এক রাতে, আদ্য মা তার স্বপ্নে আবির্ভূত হন এবং তাকে বলেন যে তার দিব্য মূর্তিটি জল থেকে উদ্ধার করে পরে হুগলি নদীতে ডুবিয়ে দিতে। এতে অনিন্দ্যচরণ পরিবর্তিত হয় এবং জীবনের পরবর্তী সময়ে যখন সে স্বামী বিবেকানন্দের সাথে দেখা করে তখন সে সাধুত্ব গ্রহণ করে এবং তার সমস্ত বস্তুবাদী আকর্ষণ ত্যাগ করে।
চ্যানেলের বর্তমান কর্ণধার প্রয়াত অশোক সুরানার সহধর্নিণী এই প্রসঙ্গে বলেন- “ আজ আদ্যামায়ের এই পুন্যভূমিতে এসে নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করছি। যেখানে আমি এই প্রাচীন মন্দির দর্শন করার সুযোগ পেলাম। এজন্য মুরাল ভাইকে আরও একবার অভিনন্দন জানাতে চাই। আমার স্বামী অশোক সুরানা মাঝে মধ্যেই যখনই সুযোগ পেতেন এই মন্দিরে চলে আসতেন। একবার আমার]ও তার সাথে এখানে আসার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেদিন প্রিয়াঙ্কা, ইশিতা আমরা সকলেই এসেছিলাম। অশকোজিকে স্মরণ করার পাশাপাশি ইশিতাকে ভুলতে পারব না। কারণ ওই শিশু আমাদের এগিয়ে যাওয়ার যে প্রেরণা দিয়েছে , একদিন ইশিতা স্বাধীন হবে এই আশায় তার বাবা এই আকাশ আট চ্যানেলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ ঈশ্বরের কৃপায় তা হয়েছে।“
“ আজ আদ্যা মাকে সামনে রেখে মনের ভিতর রেখে আমরা যে এগিয়ে চলছি তা খুবই আনন্দের। আজ অশোক সুরানার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে আদ্যা মায়ের উপর সিরিয়ালের মধ্য দিয়ে। আজ মায়ের ইচ্ছাতেই আমরা এখানে এসেছি। মায়ের চরণে আমাদের মতামত সমর্পন করছি। সেই সাথে মুরাল ভাই আমাদের যেভাবে সহযোগিতা করেছে তা আমাদের কাছে প্রেরনাস্বরূপ। আপনারা সকলের ঘরে আদ্যা মায়ের কথা পৌঁছে দিন। আকাশ আটের মাধ্যমে টিভি সিরিয়ালের মধ্য দিয়ে। রাজাদার জন্য প্রত্যকের মনেই একটা স্থান আছে, কারণ তিনি মনপ্রাণ এক করে কাজে ডুবে থাকেন। তিনি সব সময় নিজের চ্যানেল মনে করে এই কাজ করে থাকেন। এই সময় আমিও যদি ফোন করি তখন রাজাদা বলেন- আমি এখন শ্যুটিং-এ আছি। এখন আমি কথা বলতে পারছি না। এমনই কাজের প্রত্যি নিষ্ঠাবান হলেন রাজাদা।“ যোগ করেন অশোক সুরানার সহধর্মিনী।
সিরিয়ালের চিত্রনাট্যকার রাকেশ ঘষ নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বলেন- “এই কাজটি প্রথমে আমি অতি নাটকীয় বিষয় দিয়ে লিখতে শুরু করেছিলাম। যেখানে প্রচুর শব্দের জাগলারি ছিল। অনেক ড্রামাটিক সিকোয়েন্স ছিল। আমি আজ বলছি সাংবাদিক বন্ধুদের সামনে। কার্যনির্বাহী পরিচালক এষা আছে এখানে। অসিতদা, সায়নী আছেন কিনা জানি না, প্রিয়াঙ্কা ম্যাডাম এবং রাজা দা। আমাকে দিয়ে এই ধারাবাহিকের প্রথম পর্বটি ১৮ বার লিখিয়েছে। ১৮তম বার লিখবার পর আমি আমাদের আকাশ আটের নীচে একতি চায়ের দোকান আছে । সেখানে দাঁড়িয়ে আমি তিতি বিরক্ত হয়ে গিয়েছি। আমি ঠিক করলাম লিখব না।আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এষা, রাজাদাকে বললাম এবার ছেড়ে দাও। অন্য কেউ লিখুন। আমাকে বাদ দাও। কারণ, আমি বুঝতেই পারছি না কি লিখব! কিছুটা রামকৃষ্ণ, কিছুটা স্বামী বিবেকানন্দ, কিছুটা অন্নদা ঠাকুর , কিছুটা মা সারদা কিছুটা দেবী কালী – কে মা আদ্যা- আমি বুঝতেই পারছি না। কিছু ছকে বেধে আমি এগোতে যাচ্ছি। আমাকে রাজাদা বললেন- এটা তোমার লাস্ট চান্স, এবারপারলে লেখো না হলে লিখো না। আমি ভাবলাম লিখব না। আমার আজ মনে পড়ছে জয়দেবকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। আমি যে ১৯ বার লিখলাম অর্থাৎ যেটা অনুমোদন হয়েছে ওটা আমি লিখিনি। আমার মনে হয়েছে শ্রীরামকৃষ্ণ , আদ্যামা আলাদা নয়। স্বামী বিবেকানন্দ আর অন্নদা ঠাকুর আলাদা নয়। তখনই আমার লেখার যাত্রা পথ বদলে গেল। এই কথাগুলো আজ বলছি কেন জানি না, যেটা আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি যে যা লিখেছি তার সবটুকু বলতে পারছি কিনা , তার সবটুকু দেখানো যাবে কিনা, এখানে যে আমার তিন বন্ধু আছে তারা সবটুকু করে উঠতে পারবেন কিনা, এবং সেই সবটুকু আপনারা বুঝতে পারবেন কিনা।“

পরিচালক সুশান্ত বোস একাধিকবার আদ্যাপীঠ এসেছেন। কিন্তু প্রতিবারই এসে তার মনে হয়েছে এখানে মানুষ আসেন মাকে দর্শন করেন চলে যান। ভোগ প্রসাদ খান। চলে যান। কিন্তু আদ্যা মাকে কিভাবে এই মন্দিরের প্রতিশঠা হল, কে অন্নদা ঠাকুর- এই বিষয়টা কারও জানা নেই। তখন তিনি অশোক সুরানা যিনি আকাশ আক চ্যানেলের কর্ণধার তার সঙ্গে আলোচনা করতেন। তারও ইচ্ছা ছিল আদ্যা মাকে নিয়ে কিছু একটা করা। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলেন- “ আমি সেই কাজ করতে গিয়ে বুঝেছি যে ঠাকুর শুধু ফুল চান না পুজো চান না মানুষের সেবা চান। আর এই কথা আকাশ আটের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে মানুষের ঘরে ঘরে। আদ্যা মায়ের কথা , ঠাকুরের কথা, অন্নদা ঠাকুরের কথা, মায়ের কথা, মণিকুন্তলাদেবীর কথা। তিনি কতটা ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। কম বয়সে মারা গিয়েছেন। অন্নদা ঠাকুরও কম বয়সে মারা গিয়েছেন। কিন্তু যে ক্টা বছর বেঁচে ছিলেন ততদিন এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করার নিজেদের সমর্পন করেছিলেন। তাদের কথা বলব না ? তাদের কথা মানুষ জানবে না? চ্যানেল কি শুধু বিনোদন? “
অন্নদা ঠাকুরের চিরত্রে অভিনয় করছেন যিনি সেই রৌনক ভট্টাচার্য বলেন- “আদ্যামায়ের আশীর্বাদ না থাকলে আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না। যখন রাজা স্যার ( সুশান্ত বোস-পরিচালক) এই চরিত্রটার কথা বলেন আমাকে বলা হয়েছিল যে একটা পৌরাণিক চরিত্র। একটা স্পেশাল ক্যারেক্টর। এর আগে কেউ করেনি। আমি ভেবে দেখলাম , হ্যাঁ, যেরকম পৌরাণিক চরিত্র হয়ে থাকে সেরকম হবে আর কি। আমি আশা করিনি যে এটা আদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রী অন্নদা ঠাকুরের চরিত্র পাব। যখন আমায় স্বপ্নাদেশ গ্রন্থটা পড়তে বলেন তখন আমার মনে হয়েছে যে মানুষের জীবন এত বিচিত্রময়। কারণ কতটা ঈশ্বরের কৃপা থাকলে এরকম একতা জীবন পাওয়া যায়। “
অন্নদা ঠাকুরের সহধর্মিণী মণিকুন্তলাদেবীর চরিত্রে অবিনয় করেছেন যেনি সেই দীগন্তিকা চৌধুরী এই কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন- “যখন আমি জানতে পারলাম যে মণিকুন্তলা দেবীর চরিত্রে আমাকে কাজ করতে হবে তখন আমি খুবই নার্ভাস ছিলাম। কারণ এটা একটা বড় দায়িত্ব। এধু শুধুমাত্র তাঁর স্বামীকে সাধন পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এই ধরনের চরিত্র মানুষের কাছে পৌছে দেওয়াটা আমাদের কাছে সৌভাগ্য। আর আদ্যামায়ের আশীর্বাদ আছে বলেই হয়তো আজ আমরা এখানে আছি। তাঁর আশীর্বাদ থাকলে আমরা আশা করব যতটা সুন্দর করে আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। আপনারা আশীর্বাদ করবেন যে যাতে আমরা আমাদের এইকাজ সুষ্ঠূভাবে করতে পারি।“
একেবারে শেষে অদ্যামায়ের ভূমিকায় অভিনয় করা মধুশ্রী পাল নিজের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন- “আমি আসলে ছোটবেলা থেকেই খুবই ঠাকুর ভক্ত। আমি যে বাড়িতে থাকি সেই বাড়িতেও মা সিদ্ধেশ্বরী রয়েছেন। মা আমাকে টানে। এই চরিত্র করার জন্য যে মাকে কিছু ভাবতে হয়েছে , কি করতে হবে, আমি এটা নিয়ে ভাবিনি। আমি এটা ভেবেছি যে আমাকে মা হয়ে উঠতে হবে। আর আমরা তো প্রত্যেকেই নিজের মায়ের মধ্যে মাকে দেখি। আর বাকি তো রাজাদা আছেন। আমি এই চ্যানেলে স্বামী বিবেকানন্দ সিরিয়ালে মা সারদামণির চরিত্রে অভিনয় করতাম। যেটা রাজাদাই কিন্তু আমাকে প্রথম কাস্ট করে এই চরিত্রের জন্য। রাজা দা আমাকে বলেছিলেন যে তুমি মাকে দেখো, মাকে ভালোবাসো মাকে ভক্তি করো বাকিটা মা-ই তোমাকে দেবে। এটা সত্যি কথা – নিজের অভিজ্ঞতার থেকে বলছি মা ছাড়া কিচ্ছু হয় না। আমি এটা স্বীকার করছি মা ইচ্ছা করলে কি না হয়। তা না হলে দু’বছর পর একই চ্যানেলে একই ডিরেক্টরের সঙ্গে একই টিমের সাথে একই প্রোডাকশান হাউসে একই ফ্লোরে আমি মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছি।এটাই কম কিসের। “
সংগেপে আদ্যা মায়ের কাহিনী
পুরাণ মতে আদি শক্তি মহামায়াই চণ্ড-মুণ্ড বধের নিমিত্ত দেবী পার্বতীর কোষ সঞ্জাত দেবী কৌষিকী বা দেবী কালী, তিনিই দেবী আদ্যা। আদিযুগে, উপজাতি আধ্যুষিত গয়ার রামশিলা পর্বতের গুহায় পূজিতা হত দেবী আদ্যার মূর্তি। ঘটনাক্রমে সেই মূর্তি আসে কলকাতায়। ইডেন গার্ডেনের নারকেল ও পাকুড় গাছের তলায় পুকুরের মধ্যে প্রোথিতা ছিল দেবীমূর্তি। ১৯১১ সালে চট্টগ্রামের মেধাবী আত্মবিশ্বাসী যুবক আন্নদাচরণ ভট্টাচার্য কবিরাজি বিদ্যা শিক্ষার জন্য কলকাতায় এসে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কর্তৃক স্বপ্না দিষ্ট হয়ে সেই মূর্তি উদ্ধার করে। কিন্তু পুনরায় স্বপ্না দেশ পেয়ে সেই মূর্তি বিসর্জন দিতে হয় হুগলি নদীতে। মূর্তি উদ্ধার ও বিসর্জন – এই দুইয়ের মধ্যবর্তী ক্ষণিক সময়েই স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ প্রাণিত অন্নদাচরণের জীবনে আসে আমূল পরিবর্ত্ন। সংসারী, বিবাহিত, সন্তানের জনক, উচ্চাভিলাষী অন্নদাচরণ হয়ে উঠে ঋষি সমতুল্ল্য, অন্নদাঠাকু। প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষিণেশ্বরে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের এবং আদ্যাপীঠ মন্দির।
অভিনয়ের আছেন-
অন্নদাচরণ- রোনক ভট্টাচার্য, মণিকুন্তলাদেবী- দীগন্তিকা চৌধুরী, মা আদ্যা- মধুশ্রী পাল, অভয়চ্রণ- শুভজিৎ বক্সি, তিলোত্তমা- মৌমিতা দত্ত, সিদ্ধেশ্বর- সমীর কুমার চরিৎ, বিমলা- মৌসুমী চক্রবর্তী



Published on: জুন ১৩, ২০২৫ at ০৯:৩৯



