ট্রাম্প–মোদি সমঝোতায় বাণিজ্যের নতুন অধ্যায়, কমল ভারতের উপর মার্কিন শুল্ক

Main অর্থ ও বাণিজ্য দেশ ভ্রমণ রাজ্য
শেয়ার করুন

Published on: ফেব্রু ৩, ২০২৬ at ২১:১৬

এসপিটি নিউজ, নতুন দিল্লি, ফেব্রুয়ারি ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ প্রত্যাশিত বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চূড়ান্তভাবে সম্মত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র মধ্যে ফোনালাপের পর আমেরিকার পক্ষ থেকে ভারতীয় পণ্য উপর লাগানো রিসিপ্রোকাল শুল্ক (reciprocal tariffs) ২৫% থেকে ১৮%-এ কমিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন করে শক্ত করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মাঝে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্য উপর যে শুল্কগুলো ধার্য করেছিল তা অনেকটাই কমিয়ে ১৮%-এ স্থির করা হয়েছে – যা ভারতের অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় (যেমন চীনকে ৩৪%) কম। এতে Made in India পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা সুবিধাজনক হবে।

চুক্তির এক শর্ত হিসেবে ভারত রাশিয়ার তেল কেনা কমাবে বা বন্ধ করবে, এবং এর ফলে এর উপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কও প্রত্যাহার করা হবে বলে ঘোষণা এসেছে।

চুক্তির মানে শুধু শুল্ক কমানো নয় — ভারত Buy American নীতির আওতায় বৃহৎ পরিমাণ আমেরিকান পণ্য (এনার্জি, প্রযুক্তি, কৃষিজাত পণ্য সহ) আমদানির জন্য সম্মত হয়েছে, যার মূল্য $৫০০ বিলিয়নের কাছাকাছি হতে পারে বলে মার্কিন পক্ষ উল্লেখ করেছে।

মোদিটি ট্রাম্পকে “প্রিয় বন্ধু” বলেই অভিহিত করেছেন এবং Made in India পণ্যের শুল্ক কমানোর জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই বড় গণতন্ত্রের সহযোগিতা “অসীম সুযোগ” খুলে দেবে।

ট্রাম্প স্বপ্রকাশে বলেছেন, এই চুক্তি “বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে” এবং মোদির অনুরোধ অনুসারে কার্যকর হচ্ছে। তিনি এটিকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

চারপাশের কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনার পর, মার্কিন রাষ্ট্রদূত সেরজিও গর জানিয়েছেন যে চূড়ান্ত শুল্ক সংখ্যা ১৮%-এ স্থির হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক ডকুমেন্টেশন মাত্র সময়ের ব্যাপার।

শেয়ার বাজার মুদ্রা: ভারতের শেয়ার বাজার উজ্জীবিত হয়েছে এবং রুচি (rupee) শক্তিশালী হয়েছে, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

রপ্তানি খাত: বিশেষ করে ইনজিনিয়ারিং পণ্য, জুয়েলারি, রাসায়নিক, ও স্বল্পমূল্যের শিল্প পণ্যে বাজার সুযোগ বাড়তে পারে।

কিছু বিরোধী নেতারা বলেছেন যে চুক্তিটি সবখানে বাংলাদেশ নাও হতে পারে এবং প্রশ্ন তুলেছেন কৃষি ও অন্যান্য সংবেদনশীল ক্ষেত্রগুলোতে ভারতের নিরাপত্তা কতটা রক্ষা পাচ্ছে। এছাড়া পার্লামেন্টে কিছু রাজনৈতিক তর্কও হয়েছে।

Published on: ফেব্রু ৩, ২০২৬ at ২১:১৬


শেয়ার করুন