কলকাতা ও দিল্লিতে পালিত বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

Main দেশ বাংলাদেশ বিদেশ
শেয়ার করুন

Published on: নভে ৭, ২০২৬ at ২২:৫৩

এসপিটি নিউজ, কলকাতা ও নয়দিল্লি, ৭ নভেম্বর : কলকাতা ও নয়াদিল্লিতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হল বাংলাদেশের ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’। ৭ নভেম্বর, শনিবার দুই শহরেই বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে দিনের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের মান্যবর উপ-হাইকমিশনারের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের আধিকারিক ও কর্মচারীরা ছাড়াও কলকাতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং সোনালী ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং তাৎপর্য তুলে ধরেন।

অন্যদিকে, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। হাইকমিশনের সকল সদস্য এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এরপর আয়োজিত আলোচনা সভায় ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। আলোচনায় সব ধরনের মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য আরও শক্তিশালী করা, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কলকাতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ঐতিহাসিক সংহতির সেই মূল্যবোধকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তব্যের শেষে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং দেশের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এরপর কলকাতার অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দুই শহরেই আয়োজিত এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য, সংহতি এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বার্তা তুলে ধরা হয়।

Published on: নভে ৭, ২০২৬ at ২২:৫৩


শেয়ার করুন