কোভিড মোকাবিলায় রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে বসছে অক্সিজেন প্ল্যান্ট- জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Main কোভিড-১৯ রাজ্য
শেয়ার করুন

Published on: মে ৬, ২০২১ @ ২৩:৫৪

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ৬ মেঃ কোভিড নিয়ে ফের রাজ্যের অবস্থান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন অক্সিজেনের কথা। জানালেন চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে জানিয়ে দিলেন- আগামী ১৫ দিনে সংক্রমণ বাড়তে পারে।তাই সাবধানে থাকুন। মাস্ক পড়ুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। অর্থাৎ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন- “রাজ্য, জেলা, মহকুমা স্তরের হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা নিজেরাই করবে। পরিবেশের বাতাস থেকে অক্সিজেন তৈরি করবে এই প্ল্যান্ট। ইতিমধ্যে ডায়মন্ডহারবার ও কোচবিহারে বসে গেছে।”

“মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন করা মেডিকেল ও নার্সিং-এর ছাত্র-ছাত্রীদের কাজে লাগানো হবে।এর ফলে আমরা দুই হাজার ডাক্তার ও দুই হাজার নার্স বেশি পাব। ১ লক্ষ ৭০ হাজার যে কোয়াক ডাক্তার আছে তাদের ওই নামে না ডেকে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বন্ধু বলা হবে। তাদের কাজে লাগানো হচ্ছে।সংক্রমণ রুখতে জুট ইন্ডাস্ট্রিতে ৫০ শতাংশ শ্রমিক একটা শিফটে কাজ করবে।

“যারা মারা গেছে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তৃতীয় দফার ভোট পর্যন্ত নির্বাচন বিধি ছিল। তার মধ্যে ১৬ জন মারা গিয়েছিল। তার মধ্যে অর্ধেক বিজেপি আর অর্ধেক তৃণমূলের কর্মী ছিল।একজন সংযুক্ত মোর্চার। আমরা চাই না কোনও হিংসা হোক।”

“কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গ্রামে গ্রামে গিয়ে দাঙ্গার প্ররোচনা দিচ্ছে আমি জানি না।আমার অনুরোধ এরকম পরিস্থিতিতে তারা যেন এমনটা না করে। ২৪ ঘণ্টার সরকার গঠন হয়নি। তার মধ্যেই চিঠি চলে আসছে। মানুষের রায় মেনে নিন। উদয়ন গুহর হাত ভেঙে দিয়েছে। কোচবিহারে গুন্ডামি একটু বেশি হচ্ছে। যেহেতু কোচবিহারে বিজেপি একটু বেশি আসন পেয়েছে। আমাদের ছেলেদেরও বলব- কোথাও কোনও গন্ডগোলে না যেতে। গন্ডগোল করলে কিন্তু আমি কাউকেই ক্ষমা করব না। কিন্তু বিজেপি কিন্তু গুন্ডামি-উসকানি বেশি করছে।”

“এখন কোভিড চলছে। আমরা বলে দিয়েছি-বাইরের লোক আসলে তাদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করতে হবে । এমনকি মন্ত্রীদেরও বলছি। আইন সবার জন্য এক।যারা বাংলার বাইরে থাকে তাদের প্রত্যেকের এই টেস্ট করতে হবে।স্পেশাল ফ্লাইটে আসলেও আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক।কোভিড টেস্ট করাতে হবে। যদি পজিটিভ হয় তাহলে তাদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তাও নিজেদের পয়সায়।”

“আগামী ১৫ দিন বাড়িতে থাকুন। বাড়বে। সতর্ক করছি। সব পুজো কমিটি যেন দায়িত্ব নেয়। গ্রামের মানুষ নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করছিল। সোমবার ধর্মগুরুদের ডেকে মিটিং কর।” বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published on: মে ৬, ২০২১ @ ২৩:৫৪


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

39 − = 34