

Published on: ফেব্রু ১৮, ২০২৬ at ১৯:২১
এসপিটি নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : কুনো জাতীয় উদ্যানে আবারও আনন্দের গর্জন। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, কুনোতে তিনটি চিতা শাবকের জন্ম রেকর্ড করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে চিতা আগমনের তিন বছর পূর্তির মুহূর্তে এই সুখবর যেন কুনোর বুকে খুলে দিল নতুন এক অধ্যায়।
মন্ত্রী জানান, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা চিতা গামিনী—যিনি দ্বিতীয়বারের মতো মা হলেন—এই তিনটি শাবকের জন্ম দিয়েছেন। ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এই জন্ম ভারতের মাটিতে নবম সফল চিতা জন্মের স্বীকৃতি। ফলে জীবিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত চিতার সংখ্যা দাঁড়াল ২৭-এ, আর নতুন শাবকদের যুক্ত হওয়ায় দেশে মোট চিতার সংখ্যা বেড়ে হল ৩৮।
ভূপেন্দ্র যাদবের কথায়, প্রতিটি সফল জন্মই প্রজেক্ট চিতা-কে আরও শক্তিশালী করছে। একইসঙ্গে তিনি এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছেন মাঠে কর্মরত বনকর্মী ও পশুচিকিৎসক দলগুলির নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, “কুনো এবং ভারতের জন্য এটি গর্বের মুহূর্ত। গামিনী ও তার তিনটি ছোট স্প্রিন্টার যেন সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে এবং দ্রুততা ও করুণার সঙ্গে ভারতের চিতা পুনরুজ্জীবনের গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়।”
উল্লেখ্য, ২০২২–২৩ সালে নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মোট ২০টি চিতা ভারতে এনে বিশ্বের প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় চিতা স্থানান্তর প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সেই ঐতিহাসিক দিনে, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২-এ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং কুনো জাতীয় উদ্যান-এ প্রথম আটটি চিতাকে অবমুক্ত করেছিলেন।
আজ তিনটি নতুন শাবকের জন্মের মধ্য দিয়ে কুনো আবারও প্রমাণ করল—ভারতে চিতার প্রত্যাবর্তন শুধু স্বপ্ন নয়, এক বাস্তব ও আশাব্যঞ্জক সাফল্যের গল্প।
Published on: ফেব্রু ১৮, ২০২৬ at ১৯:২১



