
Published on: জুন ২৯, ২০২৪ at ২৩:১২
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ২৯ জুন: দেশের সাহিত্যের রাজধানী কলকাতার রচনাকার রাজস্থানের প্রবীণ সাহিত্যিক ডিঙ্গলের অগ্রগামী কবি এবং রাজস্থানী লোকসংস্কৃতির প্রবীণ সাহিত্য বিশেষজ্ঞ সম্মানীয় ভানওয়ার পৃথ্বীরাজ জি রত্নু দাসোদি (বিকানের) কে এই বছরের শ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞা পুরস্কার প্রদান করছে।
এই তথ্য দিয়ে শনিবার কলকাতা রাজস্থান ইনফর্মেশন সেন্টারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিখ্যাত পণ্ডিত, রচনাকারের প্রতিষ্ঠাতা, কলকাতার বাসিন্দা অভিবাসী শিল্পপতি, সমাজসেবক, রাজস্থানীয় বংশোদ্ভূত সাহিত্যিক (থোই _সিকার) সুরেশ চৌধুরী (আগারওয়াল) বলেছেন যে রচনাকারের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। মেট্রোপলিটন কলকাতায় ভারতীয় ভাষা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করা হবে।
সম্মাননা হিসেবে ভানওয়ার পৃথ্বীরাজ জি রত্নুকে একান্ন হাজার টাকা, অভিনন্দন পত্র, শ্রীফল, শাল, নেকলেস ও স্মারক প্রদানের মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
এই জমকালো ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মহামান্য রাজ্যপাল।
আর বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন লক্ষ্মীনারায়ণ ভালা, পন্ডিত সুরেশ নিরভ, বিশ্বম্ভর নেভার, ডক্টর সোমা বন্দোপাধ্যায়, হিংলাজ দন রত্নু, ইন্দুঝুনওয়ালা।
এই উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মহামান্য রাজ্যপালের লেখা “অষ্ট ভারতী” বইটি প্রকাশিত হবে।
আজ কলকাতার রাজস্থান ইনফরমেশন সেন্টারের মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য দিতে গিয়ে, রচনাকারের প্রতিষ্ঠাতা সুরেশ চৌধুরী, রচনাকারের কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান রচনা শরণ, রচনার সহসভাপতি ড. বিদ্যা ভান্ডারী এবং রচনাকারের প্রচার মন্ত্রী রাভেল পুষ্প সাংবাদিক সম্মেলনে যৌথভাবে জানান, এ বছর সাতটি পুরস্কার প্রদান করা হবে। 21 জুলাই 2024 তারিখে সকাল 10 টায় ভারতীয় ভাষা পরিষদ মিলনায়তনে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এই সংস্থাটি ২১টি দেশে ছড়িয়ে আছে। সাহিত্য-সংস্কৃতির জগতে এমন অনেকে আছেন যারা সাহিত্যের খুবই ভাল কাজ করেছেন অথচ কোনদিন সম্মান কিংবা পুরস্কার পাননি এই সংস্থা সেই সমস্ত মানুষদের সম্মান প্রদান করে থাকেন। সারা দেশ থেকেই এই পুরস্কার প্রাপকদের নির্বাচন হয়ে থাকে। ২০ ও ২১ জুলাই দুদিন ভারতীয় ভাষা পরিষদের হলে এই অনুষ্ঠান হবে। যার বাইরে থেকে আসছেন যারা ম্যানেজিং কমিটিতে আছেন এবং বিশিষ্ট অতিথিদের নিয়ে এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সুরেশ চৌধুরীর বাড়িতেই এক নৈশ ভোজের আয়োজন করা হবে ২০ জুলাই। পরদিন ২১ জুলাই পুরস্কার প্রাপকদের সম্মানিত করা হবে। দুটো ভাগে অনুষ্ঠানটি হবে। প্রথম ভাগে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সুরেশ চৌধুরীর উপর একটি পত্রিকা প্রজ্ঞান পত্রিকা প্রকাশিত হবে। তারপর রাজ্যপালের বইটি প্রকাশিত হবে। এরপর ইন্দু ঝুনঝুনওয়ালার আরও একটি বই প্রকাশ করা হবে। এই কথা জানিয়েছেন সংস্থার প্রচার মন্ত্রী রাভেল পুষ্প।
- এরপর রচনাকার শ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞা সম্মান হিসাবে বিকানেরের ভানওয়ার পৃথ্বীরাজ জি রত্নুকে একান্ন হাজার টাকা প্রদান করা হবে। এটা অরুণ আগরওয়ালের সহযোগিতায় দেওয়া হবে।
- এরপর রচনাকার দুর্গাবতী চৌধুরী স্মৃতি সাহিত্য সাধক সম্মান নয়া দিল্লির বিজয় স্বর্ণকারকে প্রদান করা হবে। তাকে ১১ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হবে। এটি সুরেশ চৌধুরীর সৌজন্যে দেওয়া হবে।
- রচনাকার প্রতিভা সম্মান প্রদান করা হবে গজলকার নন্দলাল রোশনকে প্রদান করা হবে। এজন্য তাকে নগদ পাঁচ হাজার ১০০ টাকা নগদ প্রদান করা হবে।
- রাষ্ট্রকবি রামধারী দিনকর , তাঁর পরিবারের থেকে কিছু সম্মান আসে। দিল্লির লক্ষীনারায়ণ ভালাকে রচ্নাকার দিনকর সাহিত্য শিরোমণি সম্মান প্রদান করা হবে।
- রচনাকার দিনকর সাহিত্য সাধক সম্মান বেঙ্গালুরুর ইন্দু ঝুনঝুনওয়ালাকে প্রদান করা হবে।
- রচনাকার কর্মযোগী ননীগোপাল চক্রবর্তী সাহিত্য সম্মান (বাংলা সাহিত্য) ড. সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতার বাঙালি সাহিত্যিক প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়কে প্রদান করা হবে। এই সম্মান হিসাবে তাকে ১০ হাজার ১০০ টাকা প্রদান করা হবে।
‘তৎপরিবর্তন ভব’র উদ্দেশ্যকে পূর্ণ করতে “রচনাকার- এক সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক ক্রান্তি” তৈরি করা হয়। এই সংস্থাটি শুক্তিকা ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এর এক প্রকল্প। যারা ভারতীয় সেবা, চিকিৎসা –বিশেষ করে ক্যান্সারের রোগে আক্রান্ত অসমর্থ মানুষদের সাহায্য এবং ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সাহিত্যের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছে।
শুক্তিকা ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ভারত সরকারের আয়কর বিভাগের দ্বারা স্বীকৃতি প্রাপ্ত সরকারি সংস্থান। যেখানে দান করা অর্থ আয়কর ধারা ৮০জি অনুযায়ী ছাড় দেওয়া হয়। রচনাকারের মুখ্য উদ্দেশ্য –নয়া রচনাকারকে মূল স্রোতে নিয়ে আসা এবং তাকে যথাযথ মঞ্চ প্রদান করা। তার সাহিত্য এবং কলাকে বিশ্বের দরবারের পৌঁছে দেওয়া। সাহিত্য, কলা এবং সংস্কৃতির জগতের বিশিষ্টজনদের সম্মানিত করা এবং তাদের মর্দা দেওয়াই এই সংস্থার কর্তব্য।
রচনাকারের সূচনা হয় ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি। এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে সংস্থাটি তার পরিচিত করে ফেলে। তারা সমস্ত উৎসব যেমন- হোলি, দেওয়ালি, তীজ, মকর সংক্রান্তি, নব বর্ষ, রাখী বন্ধন, করোয়া চৌথ, স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস সহ একাধিক উৎসব তারা পালন করে থাকে।
Published on: জুন ২৯, ২০২৪ at ২৩:১২



