
Published on: আগ ৩, ২০২৪ at ০৯:০৭
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, গুয়াহাটি, ২ আগস্ট: গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত ইউটিসি-র এই অনুষ্ঠানে এসে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার এবং মিশন প্রধান রুহুল আমিন। তিনি বলেন, এখানে বাংলাদেশ অংশ নিতে পেরে অত্যন্ত ভালো লাগছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম সেক্টরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশের যে অভ্যন্তরীণ ট্যুরিজম বিকাশ লাভ করেছে দু’এক বছরে। আপনারা জানেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষজন ঘুরতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে যেসব ট্যুরিজম কেন্দ্র আছে – কক্স বাজার, সুন্দরবন সহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষজন ঘুরতে যায় এবং এটি আজ আস্তে আস্তে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার বলেন- “শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ভিতরের পাশাপাশি বাইরেও ঘুরতে যেতে পছন্দ করে, এর মধ্যে ভারত একটি অন্যতম জায়গা যেখানে বাংলাদেশের ট্যুরিস্টরা বিভিন্ন সময় আসেন। আমি মনে করি আজ যে কনক্লেভ হচ্ছে এর মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে যে ট্যুর অপারেটররা এসেছেন তাদের একটা মিলনমেলা হচ্ছে। তাদের নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে। এবং এর বাইরে ট্যুরিজম সেক্টরকে নিয়ে আরও কি করা যায় সেগুলি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাছাড়া এখানে বিজনেস টু বিজনেস নিয়েও কথা হচ্ছে। বাংলাদেশ এখানে কান্ট্রি পার্টনার হিসাবে আছে এই কারণে যে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ট্যুরিজম বিষয়টা আরও বাড়তে পারে সেই বিশ্বাস আমরা রাখি।“
“বাংলাদেশ থেকে যেমন ভারতে অনেক ট্যুরিস্ট আসছে তেমন আমরা আশা করব যে ভারত থেকেও বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট যাবে। বাংলাদেশে অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে। কক্স বাজার, সুন্দরবন ছাড়াও অনেক সুন্দর জায়গা আছে যেখানে মানুষ ঘুরতে যেতে পারেন। বাংলাদেশ অত্যন্ত অতিথি পরায়ণ দেশ। খুবই সহজ সরল। এই বিষয়টি আসলে অনেক দেশকে অনেক মানুষকে আকর্ষণ করে। আশা করি , ভারতীয়দেরও এই বিষয়টি আকর্ষণ করবে। তারাও আরও বেশি করে বাংলাদেশ যাবে। বাংলাদেশের মানুষের যে আতিথেওয়তা আছে তা পূরণ করবে। এর সাথে আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। “ যোগ করেন তিনি।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার কক্স বাজারকে দেশি-বিদেশি ট্যুরিস্টদের সামনে তুলে ধরার জন্যে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। কক্স বাজার সংলগ্ন দুটি ট্যুরিজম পার্ক তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে সব ধরনের সুবিধা থাকবে। সেখানে এসে ট্যুরিস্টরা এসে উপভোগ করতে পারে সেজন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও যখন এই কার্যক্রম শেষ হবে তখন বিদেশিরা বাংলাদেশ যেতে আরও স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করবে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের হোটেল থাকবে। সেই কারণে কক্স বাজার ভবিষ্যতে আরও বেশি আকর্ষণ করতে পারবে।
আর একটা বিষয় হল, যোগাযোগ মাধ্যম একটা বড় বিষয়। সরাসরি বিমান পরিষেবা যে যোগাযোগের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কক্স বাজার যে বিমান বন্দর আছে সেটিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করার একটা প্রয়াস সরকারের রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের খুব কাছাকাছি হল কক্স বাজার। তাই এখাঙ্কার ট্যুরিস্টদের কাছে কক্স বাজার একটা সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র, কারণ, সমুদ্র দেখতে হলে এখানকার মানুষজনকে পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় যেতে হয়, সেখানের থেকে আমাদের কক্স বাজার উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির অনেক কাছে। সেদিক দিয়ে দেখলে, কক্স বাজার আগামিদিনে অন্যতম সামুদ্রিক পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।“ বলেন রুহুল আমিন।
Published on: আগ ৩, ২০২৪ at ০৯:০৭



