
Published on: অক্টো ১, ২০২৫ at ১৭:৩০
নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে
আতাউর রহমান (Ataur Rahman )

এসপিটি নিউজ, সিডনি ও অকল্যান্ড, ১ অক্টোবর : শারদোৎসব বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। এটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতি ও ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উৎসব। ভারত ও বাংলাদেশে এই শারদোৎসব হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে বিদেশের নানা প্রান্তেও শারদোৎসব ছড়িয়ে পড়েছে। তেমনই ছবি দেখা গেল অষ্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায়। প্রতিবারের মতোপ এবারও এই দুটির দেশে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ শারদীয়া দুর্গোৎসবের আয়োজন করেছে।
বাংলাদেশ থেকে এবার এই দুটি দেশে ঘুরতে এসে শারদীয়া দুর্গোৎসবের আনন্দে মেতে উঠলাম। পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই দুই দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক পূজা মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। এই সব পূজা মণ্ডপে মন্ত্রপাঠ, আরতি, এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেবীর আরাধনা করা হয়। প্রতিমা আনা হয়, মঞ্চ সাজানো হয়, এবং পুজোর সাথে থাকে নানা ধরনের খাওয়াদাওয়া ও আড্ডার আয়োজন, যা প্রবাসী বাঙালি সম্প্রদায়কে নিজেদের শিকড়ের সাথে সংযুক্ত রাখে।
দুর্গাপূজা অস্ট্রেলিয়ার বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাণের উৎসব, যা তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে একাত্ম হতে সাহায্য করে। ষষ্ঠী থেকে শুরু করে দেবীর আগমন ও পুজোর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে মন্ত্রপাঠ, আরতি, এবং অঞ্জলি প্রদান।
এই পূজা শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়, এটি সামাজিক এক মিলনমেলাও বটে। উৎসবে থাকে দেদার খাওয়াদাওয়া, বিভিন্ন রকম খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা।
পুজোর জন্য প্রতিমা আনা হয়, মঞ্চ তৈরি করা হয়, এবং পুজোর প্রস্তুতিতে পুরো সম্প্রদায় উৎসবমুখর থাকে।
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে, বিশেষ করে সিডনিতে বাঙালি সম্প্রদায় শারদোৎসবকে নিজেদের উৎসবে পরিণত করেছে, যা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া পৃথিবীর সবচেয়ে শেষ প্রান্তের দেশ নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে। স্থানীয় এই সব পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত নিউজিল্যান্ড ও অষ্ট্রেলিয়ার বাঙালি কমিউনিটির বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আওয়ামী লীগের নেতারা যোগ দেন।
(লেখক পরিচিতিঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রাক্তন সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ বঙ্গলোক –এর প্রধান সম্পাদক)
Published on: অক্টো ১, ২০২৫ at ১৭:৩০



