
TAFI, ETAA, HHTDN, TAAB, ATSPB, TOWA, ABTO জানাল তাদের মতামত । কয়েকটি বিষয়ে নজর দিয়ে তা কার্যকর করলে আগামিদিনে বাংলায় বিদেশি পর্যটকের আগমন কয়েকগুন বৃদ্ধি পাওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী তারা।
Published on: জুন ২০, ২০২৫ at ২০:৩৯
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ , কলকাতা, ২০ জুন : পর্যটনে এগিয়ে চলেছে বাংলা। কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য-আভিজাত্য-সবুজায়ন-আতিথেয়তা এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন আজ বাংলার পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যটন নিয়ে ভাবনা-চিন্তা এবং তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই আজ বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে বাংলাকে সেরার জায়গা করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন পর্যটন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন- বাংলায় গত ছয় মাসে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ২৭ লক্ষেরও বেশি হয়েছে। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন থেকে বলা হয়েছে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি হতে পারে যদি বিশেষ কয়েকটি বিষয়কে কার্যকর করা যায়।
২৭ লক্ষের মধ্যে ৯৯ শতাংশ ইউরোপ ও আমেরিকার পর্যটক
১৯ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মুখ্যসচেতক শঙ্কর ঘোষ রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীকে পর্যটন বিষয়ে প্রশ্ন করেন। তার আগে তিনি রাজ্যের পর্টনের মানোন্নয়ন নিয়ে প্রশংসাও করেছেন। মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন তার প্রশ্নের জবাবে বলেন- এ রাজ্যে গত ছ’মাসে ২৭ লক্ষ ১১ হাজার ৭০৮জন বিদেশি পর্যটক এসেছেন। এর মধ্যে ৯৯ শতাংশ পর্যটক এসেছেন ইউরোপের ইতালি, ব্রিটেন আর আমেরিকা থেকে। বাংলাদেশি পর্যটক এসেছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার। গত বছর বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৩২ লক্ষ। যার মধ্যে বাংলাদেশি পর্যটক ছিল ১ লক্ষ ৮২ হাজার।
পর্যটক টানতে রাজ্যে ইকো-ফ্রেন্ডলি পরিবেশ
রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী বলেন- ‘‘রাশিয়া, আমেরিকা, ইতালি, ব্রিটেন – এই সব দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পর্যটক এসেছেন ।’’ তাছাড়া তিনি জানান, পর্যটক টানতে রাজ্যে ইকো-ফ্রেন্ডলি পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক মানের খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত তৈরি হয়েছে ৷ পর্যটন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসাও করেন মন্ত্রী । তিনি বলেন, ‘‘২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক অস্থিরতা অনেকটাই কেটে গিয়েছে । ফলে, আগের তুলনায় অনেক বেশি পর্যটক এখন ওই এলাকায় যাচ্ছেন ।’’
মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল নতুন একটি পর্যটন কেন্দ্র চালু হয়েছে । ওই কেন্দ্রে ৮৭ শতাংশ আসন সর্বক্ষণ পূর্ণ থাকে বলেই দাবি তাঁর । পাশাপাশি, স্থানীয় পর্যটন উদ্যোগপতিদের ১০০ শতাংশ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও বিধানসভায় জানিয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন ।
এছাড়া রাজ্যে পর্যটন গাইড তৈরির ক্ষেত্রেও সাফল্যের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী । তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০২২ জন সার্টিফায়েড ট্যুরিস্ট গাইড তৈরি হয়েছে । এটি দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ।’’ পর্যটন শিল্পে নতুন কর্মসংস্থানের পথ খুলছে বলেও আশাবাদী মন্ত্রী ।
২০১১ সালের পর থেকে বদলে গিয়ে রাজ্যের পর্যটনের ছবি
২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে বাংলার পর্যটনে জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চেনা পরিচিত দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমণি, সুন্দরবন বা দার্জিলিং শুধু নয়, অফ বিট ট্যুরিস্ট স্পটও চালু হয়েছে তাঁর আমলে। শুরু হয়েছে হোম স্টে। জেলা ভিত্তিক পর্যটনেও জোর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলেই বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাংলায় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এরাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৫,৩২২টি হোমস্টে রয়েছে যা সারা ভারতের মধ্যে সর্বোচ্ছ। এছাড়াও আরও ৩,৭৫৫টি হোমস্টে পরিকল্পনায় আছে। পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের জন্য সুবন্দোবস্ত, থাকার ও খাওয়ার সুব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি বিদেশি পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
- প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বাংলায় ১৮.৫ কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন, যা সারা দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে।
- ২০২৩ সালে ভ্রমণ করেছে ১৪.৫ কোটি পর্যটক।
- ২০২২ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেছে ৮.৪ কোটি পর্যটক।
তবে একটা জিনিস লক্ষ্য করা গিয়েছে যে এ রাজ্যে পর্যটকের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। তবে চলতি বছরে বাংলদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমলেও ইউরোপ আর আমেরিকার পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে।
ট্রাভেল এজেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (TAFI)’র ন্যাশনাল কমিটির মেম্বার অনিল পাঞ্জাবি রাজ্যে পর্টকদের আগমনের হার বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন – “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়েছে তার ফল এখন পাচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক, তা হল- বৈচিত্র্যময় পর্যটন অফার, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, অ্যাক্সেসিবিলিটি এবং অবকাঠামো, আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় পর্যটন, চা পর্যটন এবং পার্বত্য স্টেশন, প্রচারমূলক প্রচেষ্টা এবং ব্র্যান্ডিং, সরকার ও নীতির সমর্থন।“
“পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন সাফল্য এর অনন্য বৈচিত্র্য, গভীর-মূল সংস্কৃতি এবং কৌশলগত প্রচারের মধ্যে নিহিত। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আধ্যাত্মিক গভীরতা এবং ঐতিহাসিক ঐশ্বর্যকে একত্রিত করে, যা এটিকে ভারতীয় এবং বিদেশি উভয় ভ্রমণকারীদের জন্যই অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।“ যোগ করেন অনিল পাঞ্জাবি।
বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাংলায় বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এন্টারপ্রাইজিং ট্রাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনস(ETAA) –এর চেয়ারম্যান (পূর্ব ভারত) কৌশিক ব্যানার্জি বলেন- “এটা ঠিক যে রাজ্যে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। তবে এই সংখ্যাটাকে আরও বাড়ানো যায় যদি রাজ্য সরকার এমন কিছু করে যেখানে পশ্চিমবঙ্গ আরও বেশি করে ফোকাসড হবে। কর্ণাটকে সেখানকার সরকার বেসরকারি ট্রাভেল ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি কমিটি গড়েছে। যারা বছরে একটি ট্রাভেল মার্ট করে। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিদেশি ট্রাভেল কোম্পানি , ব্যবসায়ী, ট্যুরিজম বোর্ড-এর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটন বোর্ড ও ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা অংশ নেয়। সেখানে কর্নাটকের পর্যটনের প্রচার হয়। এর ফলে লাভ দুই পক্ষেরই হয়। ব্যবসায়ীরাও যেমন লাভবান হয়, ঠিক তেমনই রাজ্যেরও রাজস্ব আয় হয়। আমাদের বাংলায় যদি এমনটা করা যায় তাহলেও কিন্তু এই বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে।”
হিমালয়ান হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (HHTDN)-এর জেনারেল সেক্রেটারি সম্রাট সান্যাল বলেন-“ আমাদের রাজ্য সরকার পর্যটন নিয়ে যেভাবে কাজ করছে তা খুবই ইতিবাচক। পর্যটন, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, হোমস্টে নিয়ে রাজ্যের ভূমিকা খুবই ইতিবাচক। তবে একটা দিক যদি একটু নজর দেয় – তা হল, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি উড়ান যদি আবার চালু করা যায় তাহলে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা এর তিন গুন বেড়ে যাবে নিঃসন্দেহে। বাংলাদেশি পর্যটক কমে গেলেও তাতে কোনও অসুবিধা হবে না। আপনি দেখেছেন যে গত ছ’মাসে এখানে বিদেশি পর্যটকের ৯৯ শতাংশ কিন্তু এসেছে ইউরোপ আর আমেরিকা থেকে। আগে তো কলকাতা থেকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ , লুফথান্সা’র মতো বিদেশি এয়ারলাইন চালু ছিল। আবার যদি তা ফিরিয়ে আনা যায় তাহলে কিন্তু বিদেশি পর্যটকের আগমনে পশ্চিমবঙ্গ সারা দেশের মধ্যে অনেক এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে বাগডোগরার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সরাসরি যোগাযোগও চালু হওয়া জরুরী। তাহলে বিদেশি পর্যটকের আগমন আরও বৃদ্ধি পাবে। “
ট্রাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (TAAB)-এর প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত মাঝি বলেন-“ বিদেশি পর্যটকের আগমন রাজ্যে বৃদ্ধি পাওয়াটা খুবই ভাল সংকেত। বর্তমান রাজ্য সরকার পর্যটনের জন্য কাজ করছে। রাজ্যে হোমস্টে-র সংখ্যা বেড়েছে। বিদেশিরা আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে পছন্দ করছে। তার ফলে প্রতি বছরই বিদেশিদের আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এটা আরও বাড়তে পারে যদি রাজ্য সরকার আরও কয়েকটি দিকে একটু নজর দেয়, তা হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। আমরা যে সমস্ত ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন রাজ্যে আছি যারা সবসময় রাজ্যকে আমাদের বাংলাকে তুলে ধরছি তারা যদি আরও বেশি সহযোগিতা পায় উৎসাহ পায় তাহলে রাজ্যের লাভ আমাদেরও ট্রাভেল ব্যবসায়ীদেরও লাভ। আমরা তো নিজেদের মতো করে বাংলাকে তুলে ধরছি সবসময়। এই বিষয়ে আমরা দুটো প্রোগ্রাম করছি। একটি, দেখো আমার বাংলা আর দুই, কানেক্ট বেঙ্গল। যেখানে শুধু সারা ভারত নয় বিদেশ থেকেও বহু ট্রাভেল ব্যবসায়ী আসে। যার মাধ্যমে বাংলার পর্যটনকে আমরা তুলে ধরছি। এর ফলে বহু বিদেশি আমাদের এখানে ভ্রমণ করছে। আর ‘দেখো আমার বাংলা’র মাধ্যমে তো আমরা বাংলার লোক সংস্কৃতিকে তুলে ধরছি। এসব কাজে আমরা রাজ্যের পর্যটন বিভাগের কাছে আবেদন রাখছি, আপনারা আমাদের পাশে থাকুন আমাদের উৎসাহ দিন। তাহলে পর্যটকদের আগমন আগামিদিনে আরও বৃদ্ধি পাবে। “
বাংলায় বিদেশি পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাওয়াকে অত্যন্ত শুভ লক্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাভেল অপারেটর্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ( TOWA) র প্রেসিডেন্ট মদন আগরওয়াল। তিনি বলেছেন- “ আমদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যটনকে যেভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং তিনি প্রতিটি জেলায় গিয়ে যেভাবে স্থানীয় পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নে মন দিয়েছেন তার ফলে এ রাজ্যে পর্যটনের প্রসার হয়েছে। রাজ্যের নিজস্ব প্রপার্টি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফ-বিট জায়গাগুলি বিদেশিদের নজরে এসেছে। সম্প্রতি দীঘায় জগন্নাথ মন্দির কিংবা দার্জিলিং-এ টয়ট্রেন থেকে শুরু করে আমাদের সুন্দরবন বিদেশিদের কাছে পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে। এর ফলে ইউরোপ আর আমেরিকা থেকে বহু পর্যটক পশ্চিমবঙ্গকে বেছে নিয়েছেন। “
অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুরিজম সার্ভিস প্রোভাইডার্স অব বেঙ্গল ( ATSPB)-র জয়েন্ট সেক্রেটারি স্বরূপ ভট্টাচার্য বলেন- “ বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলা হল সবচেয়ে প্রিয় গন্তব্য। এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হল সুন্দরবন। তারপর দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স। এছাড়াও আছে কলকাতার হেরিটেজ বিল্ডিং। নতুন হয়েছে দীঘায় জগন্নাথ মন্দির। সারা ভারতের পর্যটকদের কাছেই যা খুবই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। এছারাও রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্তে অফ-বিট একাধিক গন্তব্য হয়েছে যা বিদেশিদের কাছে খুবই পছন্দের। তবে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা এরচেয়েও অনেক বেশি হতে পারে যদি আমাদের কলকাতা থেকে ইউরোপে সরাসরি উড়ান চালু করা যায়। কারণ, বর্তমানে বিদেশিদের এখন দিল্লি কিংবা মুম্বাই হয়ে কলকাতায় আসতে হয়। ফ্লাইট যদি সরাসরি চালু হয় তাহলে বিদেশিদের আগমন এর কয়েকগুন বেড়ে যাবে নিঃসন্দেহে বলা যেতেই পারে। তবে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর পর্যটন নিয়ে চিন্তাভাবনা এরাজ্যের পর্যটনকে একটা দারুন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। “
পশ্চিমবঙ্গে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা গত ছয় মাসে ২৭ লক্ষের বেশি হওয়ায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব বুদ্ধিস্ট ট্যুর অপারেটর্স (ABTO)। ABTO-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার জেনারেল সেক্রেটারি অভিরূপ ঘোষ বলেন- “ আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যটন নিয়ে ভাবনাচিন্তা এবং তা কার্যকর করার জন্যই আজ এই সাফল্য এসেছে। আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ড. কৌলেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রধান বিদ্যুৎ মিত্রের নেতৃত্বে আমরা পর্যটনের প্রসারে কাজ করে চলেছি। আমাদের লক্ষ্যই হল বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যবাহী পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে তুলে ধরা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের সেক্রেটারি জেনারেল কৌলেশজি পর্যটনের দূত হিসাবে কাজ করে চলেছেন। আমরা মনে করি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে পর্যটনের প্রসারে কাজ করে চলেছেন তাতে বিদেশি পর্যটকদের আগমন আগামিদিনে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করি। “
Published on: জুন ২০, ২০২৫ at ২০:৩৯



