

Published on: ফেব্রু ২৪, ২০২৬ at ০০:৩৫
এসপিটি নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : জার্মানির পতাকাবাহী এবং ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা লুফথানসা স্বীকার করেছে, খারাপ আবহাওয়া, বিমানবন্দর কার্যক্রম সীমিত হওয়া এবং বাসচালকের অভাবের জেরে মিউনিখ বিমানবন্দরে-এ তাদের পাঁচটি বিমানে রাতভর আটকে পড়েছিলেন প্রায় ৫০০ জন যাত্রী। ঘটনাটি ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ভোর পর্যন্ত। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ট্রাভেল এজেন্টস ফেদারেশন অব ইন্ডিয়া পূর্ব ভারতের চেয়ারম্যান অনিল পাঞ্জাবি।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোপেনহেগেনগামী ফ্লাইট LH 2446-এর ১২৩ জন যাত্রীকে একটি দূরবর্তী স্ট্যান্ডে পার্ক করা এয়ারবাস A320 বিমানের মধ্যেই রাত কাটাতে হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যে শুধু একটি ফ্লাইটে সীমাবদ্ধ ছিল না, তা যাত্রীদের অভিযোগে স্পষ্ট—মোট পাঁচটি বিমানে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় স্থির অবস্থায় আটকে রাখা হয়েছিল।
যাত্রীরা জানান, বিমানে পর্যাপ্ত সহায়তা তো দূরের কথা, টার্মিনালে ফেরানোর জন্য কোনও কর্মী বা বাসের ব্যবস্থাও করা যায়নি। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, বিমানবন্দর বা এয়ারলাইনের তরফে খাবার-পানীয়ের পর্যাপ্ত জোগানও নিশ্চিত করা হয়নি।
লুফথানসার এক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব ফ্লাইট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে, সেগুলি হল—
- LH 768: মিউনিখ–সিঙ্গাপুর
- LH 2446: মিউনিখ–কোপেনহেগেন
- LH 1646: মিউনিখ–গডানস্ক
- EN 8016: মিউনিখ–গ্রাজ (এয়ার ডলোমিটি পরিচালিত)
- EN 8206: মিউনিখ–ভেনিস (এয়ার ডলোমিটি পরিচালিত)
জার্মান সংবাদমাধ্যম RTL জানিয়েছে, ওই দিন মিউনিখে সারাদিন ধরেই বিলম্ব ও বাতিলের ঘটনা চলছিল। মধ্যরাতের বদলে রাত ১টা পর্যন্ত উড্ডয়নের অনুমতি বাড়ানো হলেও শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। কতজন যাত্রী ভিতরে আটকে রয়েছেন, বা তাঁদের খাবার-পানীয়ের ব্যবস্থা হয়েছে কি না—এসব বিবেচনা না করেই কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এইঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে টাফি’র চেয়ারম্যান (পূর্ব ভারত) অনিল পাঞ্জাবি সংবাদ প্রভাকর টাইমস-কে জানিয়েছেন- এটা খুবই খারাপ খবর। আমরা যারা ট্রাভেল এজেন্ট তাদের জন্য খুবই খারাপ। এত বড় এয়ারলাইন্স কোম্পানির যদি ব্যবস্থাপনা এমন হয় তাহলে কোন ভরসায় আমরা যাত্রীদের পাঠাবো বলতে পারেন?
এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের নিরাপত্তা ও জরুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।
Published on: ফেব্রু ২৪, ২০২৬ at ০০:৩৫



