কলকাতায় মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী বিশোকানন্দ ভারতীজি-কে সম্বর্ধিত করলেন রাজস্থান পর্যটনের আধিকারিক হিংলাজদন রত্নু

Main দেশ ধর্ম ভ্রমণ রাজ্য
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Published on: সেপ্টে ১২, ২০২১ @ ০২:০৪
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ১২ সেপ্টেম্বর:     কাশীর শ্রীগোবিন্দ মঠ ও বিকানেরের ধননাথ গিরি মঠের প্রতিষ্ঠাতা মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী বিশোকানন্দ জী ভারতী কলকাতায় এসেছেন। তাঁর আগমনে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গে তাঁর ভক্ত-শিষ্যদের মধ্যে খুশির বাতাবরণ। তেমনই এক ভক্ত রাজস্থান পর্যটন বিকাশ নিগমের কলকাতার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শনিবার এক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে এই মহান সন্ন্যাসীর দর্শন করেন। কলকাতায় বড়বাজারে সৎসঙ্গ ভবনে গিয়ে তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে এবং শাল দিয়ে সম্বর্ধিত করেন।জানান অভিনন্দন।

মহান সন্ন্যাসীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে হিংলাজদন রত্নু যা বললেন

এই মহান সন্ন্যাসীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে হিংলাজদন রত্নু বলেন- “সন্ত হামারি আত্মা ম্যায় সন্ত কি হ্যায়/ রোম রোম মে রঙ রঙ্গিও বাদল মে থে/সন্ত মিলন কো তারিয়ে তদ মায়া অভিমান / যো যো কুছ আগে ভরে …। এমন সন্ন্যাসীর সান্নিধ্যে থাকতে পারলে সব কিছু ভাল হয়। আমি এখানে চার বছর ধরে কাজ করছি। আমার বাবার ফোন আসে। আমার আত্মীয় কুলদীপ সিং-এরও ফোন আসে। তাঁরা আমাকে বলেন, মহারাজ এখন কলকাতায়। তুমি সেখানে গিয়ে তাঁকে দর্শন করে এসো। তাকে সম্বর্ধিত করো, অভিনন্দন জানিও। তিন এক সপ্তাহ হল কলকাতায় এসেছেন। কিন্তু আমার অফিসের কাজকর্মের জন্য এখানে আসতে পারিনি। আজ আমার সেই সৌভাগ্য হল, তাঁকে দর্শন লাভের।”

“এমন মানুষের সঙ্গে দেখা করতে এখানে আসতে পেরে নিজেকে আমি ধন্য মনে করছি। আমার সঙ্গে এসেছেন কৈলাস তেওয়ারি,যিনি রাজস্থানের লোকশিল্পকে বিশ্বে একাধিক দেশে তুলে ধরার কাজ করেছেন। এসেছেন সংবাদ প্রভাকর টাইমসের প্রধান সম্পাদক, আছেন আমাদের কলকাতার মার্কেতিং ম্যানেজার। ম্যায়নে ধর্ম করম অর রাজ ভক্ত হ্যায়/পাও মে ঠিক সে চলেগি/ জিনকে ও সরল হ্যায় ও একেলা হি / যব মিলেগি ও মুঝসে হি মিলেগি…। এনার সান্নিধ্যে থাকাই তো একটা বড় প্রাপ্তি। কারণ, আমার পরিবারও সন্ন্যাসী পরম্পরার সঙ্গে যুক্ত। আমার ঠাকুরদা স্বামী কৃষ্ণানন্দজি জানেন স্বামীজী। আমি বলতে চাই, এমন সন্ন্যাসী তো আমাদের কাছেও গর্বের। ভারত মাতার এই সন্ত্যান তো দেশের ঐতিহ্য-পরম্পরাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। সংসারে তাঁর প্রয়োজনীয়তা আমরা অনুভব করছি।”বলেন হিংলাজদন রত্নু।

মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী বিশোকানন্দ জী ভারতী যা বললেন

মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী বিশোকানন্দ জী ভারতী প্রতিনিধি দলের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে আধ্যাত্মিকতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। সাংসারিক মোহজাল থেকে বেরিয়ে এসে কিভাবে সৎভাবে জীবন-যাপন করা যায় তা নিয়েও নিজের অমূল্য মতামত ভাগ করে নেন। সময়ের প্রতি মানুষের কত বেশি খেয়াল রাখা জরুরী তা নিয়েও আলোকপাত করেন এই মহান সন্ন্যাসী। তাঁর গুরির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটা আত্মিক যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ঠাকুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহং দেব, শ্রীশ্রী মামা সারদা দেবীর কথাও স্মরণ করেন তিনি।

রাজগুরু সোমেশ্বরানন্দ ভারতীজি মহারাজের গুরুকুলে পড়াশোনা করেন

এম এম বিশোকানন্দজি ছোটবেলা থেকেই তাঁর গুরুদেব রাজগুরু সোমেশ্বরানন্দ ভারতীজি মহারাজের গুরুকুলে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি তিনটি ভিন্ন সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেন এবং এভাবে আচার্য হন। বর্তমানে, তিনি গুজরাট এবং পাঞ্জাবে গুরুকুল ঘরানার সাতটি স্কুল এবং বেশ কয়েকটি আশ্রম পরিচালনা করেন, যার মধ্যে প্রধান তিনটি হরিদ্বার (উত্তরাখণ্ড), বিকানের (রাজস্থান) এবং তৈলনার কেদারেশ্বর (গুজরাট)অবস্থিত।

Published on: সেপ্টে ১২, ২০২১ @ ০২:০৪


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •