মোদি-নীতিশ-জগনকে নির্বাচনে সাফল্য এনে দেওয়া প্রশান্ত কিশোর এবার মমতার কৌশলক হলেন

দেশ রাজ্য লোকসভা ভোট 2019
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এসপিটি নিউজ ডেস্কঃ বাংলায় এখন রাজনৈতিক পারদ চরমে পৌঁছেছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে বিজেপি। যারা আবারও কেন্দ্রে সরকার গড়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙাতে শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি দাবি করেছে, রাজ্যের এই সরকার তাদের পুরো মেয়াদ শেষ করতে পারবে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন এগিয়ে আসবে।সেকথা মাথায় রেখেই আগে থেকে নিজেদের নির্বাচনী পরিকল্পনা ভাবা শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই তারা এবার নিরবাচনী রণকৌশল ঠিক করতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ভেবে নিয়ে এমন একজনকে কাজে লাগাতে চলেছেন যিনি এর আগে ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির রণকৌশল ঠিক করে দিয়েছিলেন।দেশের বিখ্যাত নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গেই চুক্তি করল তৃণমূল কংগেস।

রাজনৈতিক কৌশলবাদী প্রশান্ত কিশোর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রণনীতিকার হলেন! বৃহস্পতিবার কিশোর, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী,  চুক্তি দুইজনের মধ্যে সহমত হয়েছে এবং কিশোর এক মাস পর থেকেই কাজ শুরু করবে। তবে, গত বছর সেপ্টেম্বরে কিশোর জনতা দল ইউনাইটেড-এর হয়ে কাজ করেন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অন্ধ্র প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে ওয়াইএসআর-এর নির্বাচনী কৌশল তৈরি করেন প্রশান্ত কিশোর! জগন মোহন রেড্ডির দল এই বিধানসভা নির্বাচনে ১৭৫টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসন পেয়েছে। জগন টিডিপির চন্দ্রবাবু নাইডুকে পরাজিত করে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

২০১৪ সালে মোদির রণনীতিকার ছিলেন প্রশান্ত

২০১২ সালে গুজরাটের নির্বাচনে মোদীর পক্ষে কাজ করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তবে ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির নির্বাচনী রণনীতির দায়িত্ব সামলানোর পর তাঁর নাম দেশের সামনে আসে। এই নির্বাচনে বিজেপি প্রথমবারের মতো পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। দল পেয়েছে ২৮২ টি আসন। প্রথমবারের মত একটি অ-কংগ্রেস পার্টি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করেছিল।

বিহারে নীতিশের নির্বাচনী রণনীতিকার

বিহারে ২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নীতিশ কুমারের নির্বাচনী প্রচারণার দায়িত্ব সামলেছিলেন। এই নির্বাচনে নীতিশ ৭১টি আসন পেয়েছিলেন। বলা হয় যে কিশোরই বির্বাচনী লড়ার কৌশল, প্রচারণা ও জো্টের পরিকল্পনা দিয়েছিলেন। নির্বাচনে জয়লাভের পর, নীতিশ কিশোরকে তাঁর উপদেষ্টা বানিয়েছিলেন যাতে নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া সাতটি এজেন্ডা কার্যকর করা যায়।

উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে সাফল্য দিতে পারেননি

২০১৭ সালে পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে কিশোর কংগ্রেসের হয়ে রণনীতি তৈরি করে দিয়েছিলেন। তবে, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস মাত্র সাতটি আসন পেয়েছে। দল এখানে কিশোরের রণনীতির উপর ভরসা প্রকাশ করেছিল, সেই মতো ফল কিন্তু আসেনি। তবে পাঞ্জাবের ১১৭টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ৭৭টি আসনে জয়ী হয়েছিল এবং দল এখানে সরকার গঠন করেছিল।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *