ভারতে প্রথম হাতিদের হাসপাতাল, কোথায় গড়ে উঠেছে জানেন

Main দেশ বন্যপ্রাণ
শেয়ার করুন

Published on: নভে ১৮, ২০১৮ @ ২৩:৩৫

এসপিটি নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বে বেশ কয়েকটি দেশে এমন হাসপাতাল থাকলেও এতদিন ভারতে হাতিদের চিকিৎসার জন্য কোনও হাসপাতাল ছিল না। এবার সেই অভাব পূরণ হতে চলেছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের মথুরায় গত সপ্তাহে চালু হল হাতিদের হাসপাতাল। যেখানে শুধু হাতিদের চিকিৎসা হবে। ।

এখানে হাতির চিকিৎসার জন্য ওয়ারলেস ডিজিটাল এক্স-রে, থার্মাল ইমাজিং, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ট্র্যাঙ্কুলাইজেশন ডিভাইস, সঙ্গরোধ করে রাখার সুবিধা থাকছে। তবে এখানে যে হাতির চিকিৎসাই হবে তা নয় এটি দেশ এবং বিদেশের পর্যটকদের কাছেও হয়ে উঠবে এক আকর্ষনীয় স্থান।

হাতি আমাদের দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে উৎসবের সময় এবং শোভাযাত্রায় দক্ষিন ভারতে এদের দেখা যায়। উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের বহু দূর্গ এবং প্রাসাদে হাতি বিশেষ ভাবে পর্যটকদের আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু।

শুক্রবার হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়েছে হিন্দুদের ঐটিহ্যশালী শহর মথুরায়। ১২ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা এই হাসপাতালে মূলতঃ দুর্বল, আহত অথবা বয়স্ক হাতিদের চিকিৎসা করা হবে।

“আমি মনে করি আমরা হাতিদের জন্য এমন একটি হাসপাতাল যেমন গড়েছি ঠিক তেমন অন্য প্রাণীদেরও জন্য এমনটা করা প্রয়োজন”-বন্যপ্রাণ এসওএস সহ-প্রতিষ্ঠাতা গীতা শেষামনি রয়টার্স টিভিকে একথা জানিয়েছেন।

ভারতে হাতির সংখ্যা ক্রমে কমে আসছে। যা সত্যি উদ্বেগজনক। ২০১২ সালে যেখানে হাতির সংখ্যা ছিল ২৯,৩৮১ থেকে ৩০,৭১১ সেখানে ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৭,৩১২টি।সারা ভারত জুড়ে শত শত হাতি, যা এশিয়ার হাতির সংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি আটক করা হয় মানুষের দ্বরা এবং তীক্ষ্ণ ধাতু হুকগুলি প্রায়শই তাদের জখম করে।

এই হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে যমুনা নদীর তীরে যেখানে বন্যপ্রাণ দফতরের হাতি সংরক্ষন কেন্দ্র এবং যেখানে ২২টি হাতির আবাসস্থল আছে।

হাতিদের এমন হাসপাতাল দেখে রীতিমতো গর্বিত অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা পর্যটক এলিজাবেথ রিটসন। তিনি জানান, তিনি খুব খুশি যে এবার ভারতেও একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হল হাতিদের জন্য। তাদের দেখলেও এখন খুব ভাল লাগবে যেভাবে তাদের সুস্থ করে তোলা হচ্ছে। বলেন ওই অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক। সূত্র ও ছবি-রয়টার্স

Published on: নভে ১৮, ২০১৮ @ ২৩:৩৫


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

− 2 = 5