

Published on: এপ্রি ১, ২০১৯ @ ১৮:৩৯
এসপিটি নিউজ ডেস্কঃ জুজানা ক্যাপুটোভা- এই নামটি গত দু’দিন ধরে সারা বিশ্বে আলচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছে। রাতারাতি এই সুন্দরী তন্বী মহিলা হয়ে উঠেছেন একজন আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটি। তাহলে বলেই ফেলা যাক তাঁর এই উত্থানের মূল কারণ। জুজানা এখন ইউরোপের দেশ স্লোভাকিয়ার প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। বলা যেতে পারে তিনি হলেন সেদেশের ‘হেড অফ দ্য স্টেট’।
ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, বাংলাদেশের খালেদা জিয়াও ছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী
1) এই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তিনি প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতির তালিকায় সামিল হয়ে গেলেন যে তালিকায় অনেক আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো, ব্রিটেনের মার্গারেট থ্যাচার, শ্রীলঙ্কার সিরিমাভো ভান্দারানায়েক, বাংলাদেশের খালেদা জিয়াসহ অন্য নাম সামিল হয়েছে। এটাও জেনে রাখা দরকার যে ইসাবেল পেরোন প্রথম কোনও মহিলা ছিলেন যিনি কোনও দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। ১৯৭৪-৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি আর্জেন্টিনার ৪৩ নম্বর রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এই বিষয়ে বলতে গেলে এশিয়ায় প্রথম বার মারিয়া কোরিজোন ফিলিপিন্সের ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।
কে এই জুজানা যিনি ‘এরিন ব্রোকোভিচ’ নামেও পরিচিত
2) জুজানা নিজের জয়ের আনন্দে নিজের দেশবাসীর সঙ্গে হাঙ্গেরি, চেক, রোমা এবং রুথিয়ানের মানুষদের অভিনন্দন জানান। জুজানা এখানে এরিন ব্রোকোভিচ নামেও কিন্তু সকলের কাছে পরিচিত।৪৫ বছরের এই সুন্দরী মহিলা একজন লিবারাল ল’ইয়ার। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর জুজানা তাঁর প্রথম ভাষণে বলেন-তিনি এই জয়ে খুব খুশি তবে এই স্ফর খুব জটিল ছিল। নির্বাচনে তিনি ৫৯ শতাংশ ভোট পান। যেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি পান মাত্র ৫২ শতাংশ ভোট।
জুজানার নাম স্লোভাকিয়ায় প্রথমবার দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনকারী হিসেবে সামনে আসে। তিনি এই আন্দোলন নিজের দেশে এক সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যার পর শুরু করেছিলেন। সাংবাদিক জেন কুসিয়াক এবং তাঁর মহিলা বন্ধুকে গত বছর জানুয়ারিতে করা হয়েছিল। এতে তিনি সফলও হন। এই হত্যা মামলায় তিনি স্থানীয় এক বিজনেসম্যানকে শুধু গ্রেফতারই করাননি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত পর্যত করাতে সফল হন। এই পুরো ঘটরা জেরে জুজানার আন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোকে ইস্তফা পর্যন্ত দিতে হয়। একজন মহিলা হিসবে জুজানার জীবনে রাজনৈতিক সফরে এটাও কিন্তু বেশ বড় ধরনের এক সাফল্য। কারণ তিনি হাল ছাড়েননি, অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে থেকেও। সাহসে ভর করে সত্যের পথে ন্যায়ের পথে লড়াই চালিয়ে গেছেন।
জুলিয়া রবার্টস ও একই চরিত্রে অভনয় করেন
3) রাজনীতির সফরের আগে, তিনি আদালতে অনেক বড় যুদ্ধ জিতেছিলেন। পরিবেশ সম্পর্কিত ক্ষেত্রে, তিনি আদালতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে লড়াই চালিয়ে জিতেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি যে বিজনেসম্যানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ জিতেছিলেন তার বিরুদ্ধে একটি ল্যান্ডফিল সাইট দখল করে সেখানে আবাসিক উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে, তিনি লড়াই শুরু করেন। হলিউড অভিনেত্রী জুলিয়া রবার্টও একটি ছবিতে একইরকম চরি্ত্রে অভিনয় করেছেন। মামলাটি জেতার পর, তিনি তার দেশে স্লোভাকিয়ার ‘এরিন ব্রোকভিচ’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। জুলিয়া যে সিনেমায় এই নাম ছিল।
Published on: এপ্রি ১, ২০১৯ @ ১৮:৩৯



