
Published on: জুন ১৮, ২০২৫ at ২৩:১৩
Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা , ১৮ জুন : নেপালে এক অভূতপূর্ব আতিথেয়তার সাক্ষী থাকল ভারতের পর্যটন সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব বুদ্ধিস্ট ট্যুর অপারেটর্স বা এবিটিও। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ড. কৌলেশ কুমারের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল নেপালের জনকপুর ধাম। সেখানে তারা ঘুরে দেখলেন আন্তর্জাতিক রামায়ণ সার্কিট। অংশ নিলেন মাধেশ পর্যটন সম্মেলন ২০২৫-এ। সেখানে নেপাল ও ভারতের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অংশীদারদের মধ্যে এক সুমধুর মেলবন্ধন হল। যা দুই দেশের মধ্যে পর্যটন শিল্পকে আরও মজবুত করবে নিঃসন্দেহে বলা যেতেই পারে।
ভারতের পর্যটন শিল্পের প্রসারে আন্তর্জাতিক স্তরে যে ক’জন খুব ভাল কাজ করে চলেছে তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবিটিও-র সেক্রেটারি-জেনারেল ড. কৌলেশ কুমার। গোটা ভারত শুধু নয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি , যেমন- বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার সহ অন্যনায় বহু দেশে তিনি পর্যটনের দূত হিসাবে কাজ করে চলেছেন । ভারতের পর্যটন মন্ত্রক বরাবরই বলছে – সারা বিশ্বের পর্যটনের বিষয়ে যা রসদ আছে তার সবপি আছে আমাদের এই দেশে। সব কিছুই এখানে উপস্থিত। ড. কপৌলেশ কুমার আজ সেই কাজটাই খুব সুচারুভাবে করে চলেছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।
সম্প্রতি ১২, ১৩ ও ১৪ জুন নেপালে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মাধেশ পর্যটন সম্মেলন। আর সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন এবিটিও। ড. কৌলেশ কুমারের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল সেখানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়েছিল। যে প্রতিনধি দলে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্যরা। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এ রাজ্যের এবিটিও-র প্রধান বিদ্যুৎ মিত্র।
সমাজমাধ্যমে নিজের পেজে এবিটিও-র সেক্রেটারি জেনারেল ড. কৌলেশ কুমার লিখেছেন- “সালাম নেপাল: ৭৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংস্কৃতি ও সাহিত্য সংরক্ষণের জন্য। আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে মাধেশ পর্যটন সম্মেলন ২০২৫ দুর্দান্ত সাফল্যের সাথে শেষ হয়েছে। আমরা নেপালের, বিশেষ করে মাধেশ প্রদেশের উষ্ণ এবং পারিবারিক আতিথেয়তা কখনও ভুলব না। প্রকৃতপক্ষে এটি বিশ্বব্যাপী অন্বেষণ করার জন্য লুকানো এবং সেরা প্রাচীন সাংস্কৃতিক পর্যটন “আন্তর্জাতিক রামায়ণ সার্কিট”। আমরা কখনও শ্রদ্ধেয় যাদবজী, নেপালের মাধেশ প্রদেশের সম্মানিত প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বর্তমানে নেপাল সরকারের সংসদ সদস্য, জনকপুরধামের মেয়র, জলেশ্বর নগরপালিকার সম্মানিত মেয়র, নেপালের বীরগঞ্জের মাননীয় মেয়র, শ্রদ্ধেয় রাজেশ মান সিংহ স্যারের সরলতা ভুলব না। অত্যন্ত উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য । নেপাল, এনটিবি, ন্যাটা এবং অন্যান্য সংস্থার টিম সদস্যদের যারা বিশ্বজুড়ে পর্যটন প্রচার এবং ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করছেন তাদের অনেক ধন্যবাদ।“
এবিটিও প্রতিনধি দলটি ১২ জুন পৌঁছন নেপালের জনকপুর ধামে। সেখানে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সেখানে ভারতের প্রতিনিধি দলের পাশপাশি নেপালের পর্যটন অংশীদারদেরও স্বাগত জানানো হয়। এরপর ১৩ জুন প্রতিনিধি দলটি জানকী মন্দির পরিদর্শন করেন। ঘুরে ধনুষা ধাম। গঙ্গা আরতির দিব্য অনুভূতি লাভ করেন তারা। ১৪ জুন জলেশ্বরে শিব মন্দিরে পুজো দেন। এরপর ভারত তাল পরিদর্শন করে তারা বীরগঞ্জে ফিরে আসেন। ঘড়িওয়ারা পোখরি এবং বীরগঞ্জ বাজার পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলটি। পরদিন তারা পৌঁছে যান ভারতের রক্সৌল সীমান্তে। এমন সুন্দর এক স্ফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবিটিও প্রতিনিধি দল নেপালের আতিথেয়তায় অত্যন্ত খুশি। ড. কৌলেশ কুমার জানিয়ে দেন – ভারতের পর্যটনের প্রসারে তারা এভাবেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে যাবেন।












Published on: জুন ১৮, ২০২৫ at ২৩:১৩



