এ রাজ্যের সরকারের উপর শাসকদলের বিধায়কদের আস্থা আছে কি? প্রশ্ন সুজনের

Main রাজ্য
শেয়ার করুন

Published on: জানু ২৯, ২০২১ @ ১৭:৫৩

এসপিটি নিউজ: সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী প্রশণ তুলেছেন- এ রাজ্যের সরকারের উপর শাসকদলের বিধায়কদের আস্থা আছে কি? কারণ গতকাল কেন্দ্রের কৃষি আইন বিরোধী প্রস্তাবের সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় যে শাসকদল তৃণমূল যে প্রস্তাব আনে সেখানে শাসকদলের বিধায়কদের একটা বড় অংশের উপস্থিতি অবাক করে দিয়েছে রাজ্যের বিরোধীদের। বিশেষ করে বাম-কংগ্রেসকে।

এই ভোটাভুটিতে শাসকদলের পক্ষে ১০১ জন বিধায়কের সমর্থন দেওয়া হয়। এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে দলের বাকি বিধায়করা কোথায় গেল? তাদের অবস্থানই বা কি? এটাও জানা দরকার সাধারণ মানুষদের। গতকালই বিধানসভায় এই প্রসঙ্গ তুলে বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্না ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন- যে হারে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাতে জনমানসে নানা প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। আমরা এর আগে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে আস্থা ভোট নেওয়া হোক। তাতে পরিষ্কার হয়ে যাবে সরকারের পক্ষে ঠিক কতজন বিধায়ক আছেন। কিন্তু তিনি সাহস দেখাননি। তবে, এদিনের ভোটাভুটিতে স্পষ্ট হয়ে গেছে, শাসক দলের নড়বড়ে অবস্থার বহর কতটা।

এরপরই আজ আবার এক ট্যুইট করেছেন সিপিএম নেতা ও বিধানসভায় বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। সেখানে তিনি লিখেছেন-“এ রাজ্যের সরকারের উপর শাসকদলের বিধায়কদের আস্থা আছে কি? তৃনমূলের তিন লাইনের হুইপ থাকা সত্ত্বেও সরকারি প্রস্তাবের পক্ষে শাসকদলের মাত্র ৯৯ জন ভোট দিয়েছেন। বাকিরা কোথায়? দুই অঙ্কও পেরোল না!! রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে কলুষিত করার বিপদ প্রতিদিনই স্পষ্ট হচ্ছে – মাননীয়া।”

আজই আবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও একইভাবে কটাক্ষ করেছেন শাসক দলকে। তিনি বলেছেন, তৃণমূলে এখন অনেকেই থাকতে পারছেন না। তারা দল ছেড়ে দিচ্ছেন। তাদের জন্য বিজেপির দরজা খোলা রয়েছে। আজই রাজ্যে ফের পা রাখছেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজেপি নেতা। শনি ও রবিবার দু’দিন রাজ্যে তাঁর একাধিক প্রগ্রাম আছে। যেখানে তাঁর সভায় একাধিক তৃণমূল বিধায়ক-নেতাদের যোগদানের সম্ভাবনা আছে। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই দিলীপ ঘোষ বলেন- বিজেপি মানেই চমক। আর অমিত শাহ যেখানে সেখানেই চমক। তালিকা একাধিক আছে। দেখা যাক কোনটা কার্যকর হয়।

এরই মধ্যে বালির তৃণমূল বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। এমনকি, উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালকেও শোকজ করেছে দল। আবার আজই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার বিষয় এর মধ্যে আর কেউ পদত্যাগ কিংবা ইস্তফা দেন কিনা। আর নতুন করে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন কিনা – সেদিকেই তাকিয়ে এখন গোটা রাজ্য।

Published on: জানু ২৯, ২০২১ @ ১৭:৫৩


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

73 − = 64