বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কলকাতায় উপ-হাইকমিশনে

দেশ বাংলাদেশ রাজ্য
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Published on: অক্টো ২০, ২০২১ @ ২৩:৫৮

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ২০  অক্টোবরঃ দু’দিন আগেই কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে উদযাপিত হয়ে গেল বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মবার্ষিকী। এই উপলক্ষ্যে গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের বাংলাদেশ গ্যালারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে অনাথ ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবারও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে যারা অংশ নেন

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সমস্ত কর্মকর্তা শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কাউন্সেলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম এবং প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মহম্মদ শামসুল আরিফ যথাক্রমে সেদেশের রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন। এই অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের উপর এক আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু গবেষক সৌগত চট্টোপাধ্যায়, শেখ রাসেলের বাল্যবন্ধু ও প্রতিবেশী মিজ নাতাশা আহমেদ এবং প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রথম সচিব(রাজনৈতিক-১) ও দূতালয় প্রধান মিজ শামিমা ইয়াসমীন স্মৃতি। উপস্থিত ছিলেন মিশনের সকল কর্মকর্তা সহ কলকাতার বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা।

শেখ রাসেলের সম্পর্কে বক্তারা তুলে ধরেন তাঁদের কথা

  • অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দিতে গিয়ে উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন- “রাসেল বাল্যকালে যে চমৎকার ও সাবলীল ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন তা আগামী প্রজন্মের শিশুদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
  • সৌগত চট্টোপাধ্যায় বলেন-“ রবীন্দ্রনাথও ১১ বছর বয়সে হারিয়েছিলেন তাঁর ছোট ছেলে শমীন্দ্রনাথকে। বিশ্বশান্তির অগ্রদূত বঙ্গবন্ধু নেবেল বিজয়ী দার্শনিক বার্টান্ড রাসেলের নামে রেখেছিলেন তাঁর ছোট ছেলের নাম। “
  • অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের বাল্যবন্ধু ও প্রতিবেশী নাতাসা আহমেদ বলেন-“ রাসেল সকলকে নিয়ে খেলতে ভালোবাসতো, যদিও তার জীবন অন্যদের মতো ছিল না।“ তিনি শেখ রাসেলের এক বিশেষ দিক তুলে ধরে বলেন-“ কবুতর ছিল রাসেলের খুব প্রিয়। সেজন্য কবুতরের মাংস তিনি খেতেন না।“

সব শেষে কবিতা আর গানে শেখ রাসেলের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় শিশু-কিশোররা। গান আর কবিতার যুগলবন্দী পরিবেশন করেন শুভদীপ চক্রবর্তী।

Published on: অক্টো ২০, ২০২১ @ ২৩:৫৮


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •