বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সাড়ম্বরে উদযাপিত হল কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনে

Main দেশ বাংলাদেশ রাজ্য
শেয়ার করুন

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দিনটি তাই বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসাবেই ঐতিহাসিক হয়ে আছে।

Published on: জানু ১০, ২০২১ @ ২১:০৬

Reporter: Aniruddha Pal

এসপিটি নিউজ, কলকাতা, ১০ জানুয়ারি:  আজ থেকে ঠিক ঊনপঞ্চাশ বছর আগে এই দিনটিতে বঙ্গবন্ধু স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দিনটি তাই বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসাবেই ঐতিহাসিক হয়ে আছে।আজ রবিবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে সাড়ম্বরে উদযাপিত হল দিনটি। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের ‘বাংলাদেশ গ্যালারি’-তে উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে এই ঐতিহাসিক দিবসের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক সংবাদ পত্রিকার যুদ্ধকালীন প্রতিনিধি বিশিষ্ট সাংবাদিক বিকচ চৌধুরী এবং ভিডিও বার্তার মাধ্যমে স্মৃতিচারণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত ও বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা।

‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলেছে’

বিকচ চৌধুরী জক্তব্য রাখতে উঠে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলেছে তাঁর আদর্শের ওপর ভিত্তি করে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালি জাতিকে মুক্তির যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন সে অনুযায়ীই মুক্তিযুদ্ধ চলেছিলো এবং বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেয়েছে।

‘কলকাতায় দশ লক্ষাধিক মানুষ আবেগ ভরে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য শুনেছেন’

“১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কলকতাবাসীর আগ্রহ ছিল প্রবল। তাই ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় কলকাতার বিমানবন্দরে বিপুল জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল বঙ্গবন্ধুকে এক নজর দেখার জন্য। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বার্তা পাঠান তিনি তাঁর দেশের মাটিতে পা রাখবেন প্রথম এবং অতিসত্বর তিনি কলকাতা আসবেন। বঙ্গবন্ধু সে কথা রেখেছিলেন। ১৯৭২ সালের ০৬ ফেব্রুয়ারি কলকতার ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে (গড়ের মাঠে) বিশাল জনসমুদ্রে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেছিলেন। তা দশ লক্ষাধিক মানুষ আবেগ ভরে শুনেছেন।” বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত ও বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই কথাগুলি বলেন।

এরপর কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান শুরু হলে কবিতা আবৃত্তি করেন, কলকাতার বিশিষ্ট আবৃত্তিকার স্বপ্না দে এবং রজত বন্দোপাধ্যায়। বাংলাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শতাব্দী রায় চমৎকার সঙ্গীত পরিবেশন করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস)ড. মোঃ মোফাকখারুল ইকবাল এক প্রেস বিবৃতিতে এই খবর জানিয়েছেন।

Published on: জানু ১০, ২০২১ @ ২১:০৬


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

84 − = 79